Condolences expressed over the heavy loss of lives caused by devastating landslides and floods in Nepal
নেপালের উত্তরাঞ্চলে ও তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা ও মর্মান্তিক ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ ২৭ আগস্ট ২০২৬ এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই শোক প্রকাশ করেন।
যৌথ শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, "গত ২৬ আগস্ট নেপালের রসুয়া ও নুয়াকোট জেলাসহ তিব্বত সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত এই প্রলয়ঙ্করী প্রাকৃতিক বিপর্যয় আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত ও মর্মাহত করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্যোগে এ পর্যন্ত ১৫৭ জনেরও বেশি মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিদেশী পর্যটক ও তীর্থযাত্রীসহ এখনো ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ১৯টি সেতু ও বিস্তীর্ণ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো অত্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝে উদ্ধার অভিযান চলছে।"
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "নেপাল বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। এই কঠিন ও মানবিক বিপর্যয়ের মুহূর্তে আমরা নেপালের সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং সাধারণ জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন নেপালের জনগণকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ভয়াবহ বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দান করেন। একই সাথে নিখোঁজ ও দুর্যোগকবলিত দুর্গম এলাকায় আটকা পড়া মানুষদের যেন দ্রুত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়, মহান আল্লাহর কাছে সেই তৌফিক কামনা করছি।"
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ সরকারসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবিক সংস্থাগুলোকে নেপালে চলমান উদ্ধার তৎপরতায় সর্বোচ্চ কারিগরি, লজিস্টিক ও মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।