এই ওয়েবসাইটটি এখনো নির্মাণাধীন
Chhatrashibir
Missing translation "site-name" for locale "bn-bd"
বাংলা
Eng
العربية
বন্ধ করুন
কর্মপদ্ধতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
চতুর্থ দফা কর্মসূচিঃ ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্যা সমাধান

“আদর্শ নাগরিক তৈরির উদ্দেশ্যে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনের দাবিতে সংগ্রাম এবং ছাত্র সমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান।”

এ দফার দু’টি দিক রয়েছেঃ

(ক) ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং (খ) ছাত্র সমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান। নিম্নে এ দুটি কাজের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করা হল:

(ক) ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম

আমাদের বর্তমান সমাজব্যবস্থা পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত। তাই এ সমাজে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের কাজ রাতারাতি হওয়া সম্ভব নয়। এ কাজ ক্রমিকপর্যায়ে হতে হবে। এ আন্দোলন ধারাবাহিকতার সাথে কিভাবে ক্রমান্বয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে হবে তা নিম্নে বর্ণিত হলো:

আমাদের কর্মীদের প্রথমত : জেনে নিতে হবে,(ক) ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা বলতে কি বুঝায়। (খ) ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য কি কি (গ) ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা কিভাবে প্রবর্তন করা যায় (ঘ) বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার দোষ-ত্রুটি কি কি (ঙ) এর সুদূরপ্রসারী ফল কি (চ) বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক গলদ কোথায় ইত্যাদি। এজন্যে আমাদের প্রকাশিত ও অন্যান্য ইসলামী চিন্তাবিদদের বইগুলো পাঠ করতে হবে।

দ্বিতীয়ত : আমাদেরকে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমত সংগ্রহ করতে হবে। অর্থাৎ ছাত্র সমাজ, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক চিন্তাশীল নাগরিকদেরকে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার কুফল অবগত করিয়ে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তা বুঝাতে হবে। এ জন্যে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে আলোচনা, পুস্তুক সাময়িকী, বিজ্ঞপ্তি ইত্যাদি বিতরণ করতে হবে। এছাড়া গ্রুপ মিটিং, সিম্পোজিয়াম, সেমিনার ইত্যাদির আয়োজন অবস্থা বুঝে করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত : অনুকূল পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতায় দু’মাসে বা প্রতিমাসে শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে পোস্টারিং, পত্রিকায় বিবৃতি, পত্রিকার চিঠিপত্র কলামে লেখা, অনলাইন ক্যাম্পিং, ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে দিবস ও সপ্তাহ পালন প্রভৃতি কাজ করা যেতে পারে। বিভিন্ন সভা সমিতিতে প্রস্তাব পাশ করিয়ে পত্রিকায় দিতে হবে। প্রতক্ষ্যভাবে সম্ভব না হলে পরোক্ষভাবেও কাজ করা যেতে পারে।

চতুর্থ পর্যায়ে : আমাদের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদদের নিকট আবেদন করতে হবে ইসলামী করণের পরিকল্পনা পেশ করার জন্য। ইসলামী মনোভাবাপন্ন শিক্ষাবিদদেরও আহবান করতে হবে,প্রবন্ধ,নিবন্ধ,বই ইত্যাদির মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার রূপ ছাত্রসমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের সামনে তুলে ধরার জন্য।

পঞ্চম পর্যায়ে : আমাদের কর্মীদের লিখিত প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা সহকারে শিক্ষাব্যবস্থার উপর বিশেষ সংকলন বের করার চেষ্টা করতে হবে। সংকলন বের করার পূর্বে কেন্দ্রীয় সভাপতির অনুমতি নিতে হবে।

মনে রাখতে হবে শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তনের মাধ্যমে ইসলামী সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাই এ কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনই আমাদের আসল উদ্দেশ্য নয়। বরং উদ্দেশ্যে পৌঁছার হাতিয়ার মাত্র। আমাদের চিরস্থায়ী উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তোষ অর্জন।

(খ) ছাত্র সমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান

অর্থাৎ ছাত্রদের যুক্তিসংগত দাবি-দাওয়া পূরণের জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা করা ও তাদের অভাব-অভিযোগ দূরীকরণে এগিয়ে আসা। এক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করা।

ছাত্র বলেই ছাত্র সমস্যার ব্যাপারে আমরা অমনোযোগী থাকতে পারি না। ছাত্রদের যাবতীয় ন্যায়সংগত সমস্যা সমাধানে আমাদের অগ্রণী হতে হবে। সমস্যা সমাধানের আমাদের মনে রাখতে হবে যে,আমরা সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই। এক সমস্যার সমাধান করতে যেয়ে আরও দশটি সমস্যার সৃষ্টি করা আমাদের কাজ নয়। আমরা নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে গঠনমূলক প্রচেষ্টার পরিবর্তে ধ্বংসাত্মক কোন পন্থা অবলম্বনে বিশ্বাসী নই।

আমরা ছাত্র সমস্যাকে দু’ভাবে ভাগ করতে পারি- (১) ব্যক্তিগত (২) সমষ্টিগত।

(১) ব্যক্তিগত সমস্যা:

ব্যক্তিগত সমস্যার যেগুলো বেশিরভাগ অর্থনৈতিক, সেগুলো সমাধানের জন্যে স্বাবলম্বন পন্থা অনুসরণ করি। অর্থাৎ নিজেরাই এসব সমস্যার সমাধান করতে চেষ্টা করি। ছাত্রদের লজিং না থাকা, বেতন দানে ও পরীক্ষার ফি দিতে অক্ষমতা, বই কেনার অসামর্থ্য ইত্যাদি দুরীকরণার্থে আমরা আমাদের ছাত্র কল্যাণ বিভাগের মাধ্যমে সামর্থ অনুযায়ী নিম্নোক্ত কাজ করে থাকি:

  • লজিং যোগাড় করে দেয়া।

  • স্টাইপেন্ড চালু করা।

  • লেন্ডিং লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করা।

  • ফ্রি-কোচিং ক্লাস চালু করা।

  • ভর্তি সহায়িকা প্রকাশ।

  • বিনা মূল্যে বিগত বছরের প্রশ্নপত্র বিলি।

লেন্ডিং লাইব্রেরীঃ গরীব ছাত্রদেরকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ করার জন্যেই লেন্ডিং লাইব্রেরীর প্রতিষ্ঠা করা হয়। আমাদের কর্মীদের ভেতর যারা বিভিন্ন ফাইনাল পরীক্ষায় পাশ করেন, তারা তাদের পাঠ্য বই শিবিরের লেন্ডিং লাইব্রেরীতে দান করতে পারেন। শুভাকাংখীদের দানও আমরা সানন্দে গ্রহণ করে থাকি। এতে অনেক ছাত্রের শিক্ষা লাভের পথ সুগম হয়।

লেন্ডিং লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি

পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথে কর্মীদেরকে পরীক্ষার্থীদের সাথে যোগযোগ করে তাদেরকে আমাদের লেন্ডিং লাইব্রেরীতে বিনামূল্যে বই প্রদান করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এজন্যে পূর্বাহ্নে একটা বিজ্ঞাপনও পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেয়া যেতে পারে।

এভাবে কর্মীদের দেয়া বই ও ছাত্রদের থেকে সংগ্রহ করা বই দিয়ে লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করতে হয়। বই গরীব ও উপযুক্ত ছাত্রদেরকে দিতে হয়। এক মাসের জন্যে বই ইস্যু করা হয় এজন্যে কার্ড তৈরি করে নিতে হয়। বইয়ের তালিকা ও বিতরণ রেজিষ্ট্রার রাখতে হয়। লেন্ডিং লাইব্রেরীর জন্যে প্রয়োজনীয় নিয়মনীতি থাকে। এজন্য পরিচালকের তত্ত্বাবধানে এ লাইব্রেরী পরিচালিত হয়।এ লাইব্রেরীর জন্য বিভিন্ন পুস্তুক বিক্রেতা ও প্রকাশকের নিকট থেকেও বই নেয়া যেতে পারে। এজন্যে বিশেষ অভিযান চালানো প্রয়োজন।

ফ্রি কোচিং ক্লাসঃ

পরীক্ষার কয়েক মাস পূর্বে বিনা পারিশ্রমিকে কোচিং ক্লাস করার বন্দোবস্ত করা যেতে পারে। সে জন্যে উপযুক্ত ব্যবস্থাদির মাধ্যমে ছাত্রদেরকে কোচিং ক্লাসের খবর জানিয়ে দিতে হবে। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অথবা সুবিধাজনক স্থানে সকালের দিকে অথবা রাত্রে এ ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে সেখানে ক্লাস করার অনুমতি নিতে হবে।

আমাদের মনোভাবাপন্ন শিক্ষক অথবা মেধাবী কর্মীরা এতে শিক্ষতা করবেন। ছাত্রদের জন্যে অংক, ইংরেজী অথবা জটিল কোন বিষয়ের কোচিং ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হয়।

ভর্তি সহায়িকা প্রকাশঃ

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি উপযোগী সহায়িকা প্রকাশ করা যেতে পারে।

বিনামূল্যে প্রশ্নপত্র বিলি: বিগত বছরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র যোগাড় করে ফটোকপি করে অথবা ছেপে ছাত্রদের নিকট অতি কম মূল্যে অথবা বিনামৃল্যে বিতরণ করা যেতে পারে। কলা,বাণিজ্য ও বিজ্ঞান প্রভৃতি বিভিন্ন বিভাগের প্রশ্ন পত্র পৃথক পৃথক পুস্তিকায় ছাপিয়ে বিক্রি করা যায়। বিশেষ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে বিক্রয় করা সহজ। কারণ, এসব শ্রেণীতে ছাত্র বেশি থাকে।

স্টাইপেন্ড : যাকাতের টাকা সংগ্রহ ও বিভিন্ন শিক্ষানুরাগী ধনী ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ করে গরীব ছাত্রদের জন্য বৃত্তি বা স্টাইপেন্ডের বন্দোবস্ত করা যেতে পারে। অনেকে আছেন যারা সংগঠনের বায়তুলমালে টাকা দিতে রাজী নন।কিন্তু গরীব ছাত্রদের জন্যে টাকা দিতে আগ্রহী, তাদের সাহায্য এ কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

কর্জে হাসানা : নিছক আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় কাউকে বিপদে আর্থিক সাহায্য দেয়ার জন্যে কর্জে হাসানা চালু করা যেতে পারে। এখান থেকে কাউকে কর্জে দিতে হলে লিখিত চুক্তি হয়ে যাওয়া উচিত।

(২) সমষ্টিগত সমস্যা:

উপরে ছাত্রদের ব্যক্তিগত সমস্যার উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ছাত্রদের অনেক সমস্যা রয়েছে যা সমষ্টিগত। যেমন ভর্তি ও আসন সমস্যা, শিক্ষকের অভাব, পাঠাগারের অভাব, মসজিদ না থাকা, কেন্টিনের সমস্যা, নির্যাতনমূলক ব্যবস্থা, পাঠ্য বই এর মূল্য ও বেতন বৃদ্ধি প্রভৃতি। এসব সমস্যা সমাধানের জন্যে আন্দোলন প্রয়োজন। আন্দোলনের নামে কোন স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়াও আমাদের উদ্দেশ্য নয় এজন্যে এসব সমস্যা সমাধানে আমাদের কর্মসূচি নিম্নরূপ:

(ক) আমরা প্রথমে সমস্যার কারণ নির্ণয় করতে চেষ্টা করব। গোড়ায় গলদ থাকলে শাখা-প্রশাখা নিয়ে হৈ-চৈ করে লাভ নেই। কারণ নির্ণয়ের পর যথাসম্ভব মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রস্তুতি নিয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট ডেলিগেট প্রেরণ, স্মারকলিপি প্রদান, পারস্পরিক আলাপ-আলোচনা, স্বাক্ষর অভিযান চালিয়ে কর্তৃপক্ষকে সমস্যা সমাধানের যৌক্তিকতা ও পন্থা বুঝাতে চেষ্টা করব। আমাদের বিশ্বাস, বেশির ভাগ সমস্যাই এভাবে সমাধান করা যায়।

(খ) যদি উপরোক্ত উপায়ে সমস্যা সমাধানের কোন ব্যবস্থা না হয় তাহলে প্রতিবাদ সভা,নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ, পোষ্টারিং, পত্রিকায় বিবৃতি প্রদান প্রভৃতি উপায়ে আমরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা করব।

(গ) উপরোক্ত দু’উপায়ের পরেও যদি কর্তৃপক্ষ অনমনীয় থাকেন, তখন আমরা প্রতীকি ধর্মঘট পালন ও সুশৃংখল আন্দোলনের মাধ্যমে এসব দাবি আদায়ের চেষ্টা করব।

আমরা নিশ্চিত যে, উপরোক্ত তিনটি পর্যায়ে চেষ্টা করলে কোন সমস্যা সমাধান ছাড়া থাকতে পারে না। যদি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কর্তৃপক্ষ গঠনমূলক আলোচনা চান না অথবা সমষ্টির স্বার্থে ব্যক্তি বা কতিপয় লোকের স্বার্থ ত্যাগ করতে নারাজ। এহেন মুহূর্তে অবস্থার দাবি অনুযায়ী আমাদেরকে আরো বলিষ্ঠ পদপেক্ষ গ্রহণ করতে হবে।

সংসদ নির্বাচনঃ

অসৎ নেতৃত্বের অপসারণ ও সৎ নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠা ছাড়া দুনিয়াতে ইসলামী সমাজ বিনির্মান সম্ভব নয়। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চত্বরেও আমাদেরকে অনৈসলামিক নেতৃত্ব অপসারণের জন্যে প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে। আমাদেরকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে ভূমিকা নিতে হবে। কারণ, নির্বাচনে কোন ভূমিকা না থাকা মানেই সংগঠনের অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ জাগানো।

দ্বিতীয়ত : নেতৃত্বের ব্যাপারে আমাদের কোন বক্তব্য না থাকার অর্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের কোন প্রভাব না থাকা। সন্নাসী বা বৈরাগীর মত সাধারণতঃ আমরা ভোটদান থেকে বিরত থাকতে পারি না। আমাদেরকে ভোট দিতে হবে। কিন্ত কাকে ভোট দেব। যেহেতু আমরাও আন্দোলন করছি-তাই আমাদেরকে হয় নিজেরদের কর্মী প্রার্থী করাতে হবে নতুবা অপেক্ষাকৃত ভালো ব্যক্তিকে সমর্থন করতে হবে।

সংসদ নির্বাচনে আমাদের নীতিঃ

(ক) আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজেদের মূল কাজের পরিমাণ যাচাই করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। অর্থাৎ কর্মী সংখ্যা, সমর্থক সংখ্যা, বায়তুলমালের আয়, বই বিতরণের মাসিক পরিমাণ ও পাঠক সংখ্যা ইত্যাদি বিবেচনা করে আমাদেরকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

(খ) শুধু নির্বাচনে অংশগ্রহণ আমাদের কাজ নয়। নির্বাচনের আগেও আমাদেরকে মৌলিক বা বুনিয়াদী কাজ করতে হবে।

(গ) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে কেন্দ্রীয় সভাপতির অনুমতি নিতে হবে।

(ঘ) সভাপতি বা দায়িত্বশীল কর্মীগণ কেন্দ্রীয় সভাপতির অনুমতি ছাড়া নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। মনে রাখতে হবে মূল কাজের ক্ষতি সাধন করে নির্বাচনে অযথা জড়িয়ে পড়ার পরিণতি মারাত্মক।