শহীদ আবরার ফাহাদ রাব্বি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ - ৭ অক্টোবর ২০১৯) বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের শহীদ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কিছু অসম চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ নেতারা তাকে শিবির সন্দেহে ডেকে নিয়ে হলের কক্ষে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন। ২০২৫ সালে তাকে মরণোত্তর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার 'স্বাধীনতা পুরস্কারে' ভূষিত করা হয়। ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ ঢাকা শহরের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে তার নামে সড়কের নামকরণ করা হয় শহীদ আবরার ফাহাদ এভিনিউ।
শহীদ আবরার ফাহাদ ১৯৯৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলায়। তার পিতার নাম মো. বরকত উল্লাহ এবং মায়ের নাম রোকেয়া খাতুন। তিনি কুষ্টিয়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা এবং পরে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে তিনি নটর ডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। ২০১৮ সালে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।
তার বাবা বরকতউল্লাহ ব্র্যাকের নিরীক্ষক কর্মকর্তা এবং মা রোকেয়া খাতুন কিন্ডারগার্ডেনের শিক্ষক ছিলেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার ছিলেন বড়। তার ছোট ভাই আবরার ফায়াজও পরবর্তীকালে বুয়েটে ভর্তি হন।
এক নজরে শহীদ আবরার ফাহাদ
নাম: শহীদ আবরার ফাহাদ রাব্বি
পিতা: মো. বরকত উল্লাহ
জন্ম তারিখ: ১২ই ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮
ভাই বোন: দুই ভাই
স্থায়ী ঠিকানা: কুমারখালি, কুষ্টিয়া।
শাহাদাতের তারিখ: ৭ অক্টোবর ২০১৯
শাহাদাতের কারণ: ছাত্রলীগের নির্যাতন।
শাহাদাতের স্থান: শেরে বাংলা হল, বুয়েট, ঢাকা।