দাওয়াতি কাজের মূল লক্ষ্য হলো ইসলামের সঠিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। একজন ছাত্র বা সদস্য প্রথমে নিজে ইসলামের জ্ঞান ও নৈতিক চরিত্রে সমৃদ্ধ হবে। সৎ উদ্দীপনা, নম্রতা এবং সুন্দর আচরণের মাধ্যমে অন্যদের ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করবে। মৌখিক দাওয়াতের চাইতে আচরণগত দাওয়াত বেশি কার্যকরী, তাই ইসলামের বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা একটি বড় দাওয়াতি কাজ।
আল্লাহ বলেন, "আর তার চেয়ে কার কথা উত্তম, যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, অবশ্যই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত’?" (সূরা হামীম আস সাজদাহঃ ৩৩)
অন্যত্র আল্লাহ বলেন, "তোমরা আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বান করো ধৈর্য্য ও সদুপদেশ দ্বারা। আর তাদের সাথে বিতর্ক করো উত্তম পন্থায়।" (সূরা নাহলঃ ১২৫)
জনশক্তিদের নিয়মিতভাবে দাওয়াতি কাজে অংশগ্রহণ করতে হয়। সংগঠনের নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ অনুযায়ী গ্রুপভিত্তিক ও ব্যক্তিগত দাওয়াতি কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে হবে।